শিরোনাম :
চীনের সাংস্কৃতিক শিল্পখাত স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধিতে ইসলামাবাদে মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামির মৃত্যুদন্ড  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সজিবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ; অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ‎ ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গঠনে চীন-ব্রাজিলের যৌথ অঙ্গীকার পরিবেশ সুরক্ষায় যৌথ পদক্ষেপের আহ্বান চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রীর মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ শৃ’ঙ্খ’লা ভ’ঙ্গে’র অ’ভি’যো’গে ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে অ’ব্যা’হ’তি দুর্গম পাহাড়ে সিন্দুকছড়ি জোনের মানবিক উদ্যোগ: ৪১০ অসহায় রোগী পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ গুইমারার ৪ হিল ভিডিপি সদস্যের কৃতিত্বে মহাপরিচালকের সম্মাননা ব্যাজ ও সনদ অর্জন
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৯ অপরাহ্ন

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঈদগাঁওর কামার পল্লীতে কর্মব্যস্ততা 

প্রতিনিধির নাম / ৩৯ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও: দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আযহা বা কুরবানের ঈদ। এটিকে সামনে রেখে ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চাহিদা বেড়েছে পশু জবাই এবং মাংস কাটার সরঞ্জামের। এটির চাহিদা পূরণে ব্যস্ততা বেড়েছে নানা কামারের দোকানগুলোতে। আধুনিক যন্ত্রাংশে প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চলছে। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ব্যস্তসময় পার করেছেন কামার সম্প্রদায়।

কামার কারিগররা জানান, বর্তমানে লোহা ও কয়লার দাম বেশি। তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। কয়টা দিন পরই মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হবে। তাই এ উৎসবকে ঘিরে কামারদের কর্মব্যস্ততা বাড়লো অনেক। কাজের চাপে যেন দম ফেলার সুযোগও নেই টুংটাং শব্দে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজেকর্মে মগ্ন কামারেরা। তাদের ব্যস্ততা ঈদুল আজহার দিন সকাল পর্যন্ত থাকে।

ঈদগাঁও বাজারের ইউপি পরিষদ সংলগ্ন কামার পল্লী, বংকিম বাজারসহ নানা স্থানে গিয়ে দেখা যায়, লোহার তৈরি বিভিন্ন সরঞ্জাম বানাচ্ছেন কামারেরা। এই লোহা কিনে এনে তৈরি করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।এক কামার জানান,সারা বছরের মধ্যে কুরবানি ঈদেই বেশি ব্যস্ত থাকতে হয়। লোহা এবং কয়লার দাম বেশি তাই তৈরিকৃত সরঞ্জাম বিক্রি বেশি হলেও লাভ কম হয়। বছরজুড়ে কুরবানের এ সময়ের অপেক্ষায় থাকি

আরেক জনের মতে, তাদের পরিশ্রমের তুলনায় মজুরি অনেক কম। সারাদিন আগুনের পাশে বসে থেকে কাজ করতে হয়,ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়। কামার পল্লী এলাকার এক বিক্রেতা জানান, নতুন দা বিক্রি করে থাকি ৫শ / ৬শত টাকা,ছুরি ছোট বড়, মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। আবার বটি, দা ও ছুরি শান দিতে আসলে তা দেখে টাকা নেয়া হয়।

লোহা শিল্পের দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধি,দিন দিন নিত্যপণ্য সামগ্রী ক্রয় দাম বৃদ্ধি,ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা, সাংসারিক ঘানি টানতে চরম বিপাকে পড়েছেন কামারেরা। এমন মন্তব্য সচেতম মহলের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর