শিরোনাম :
চীনের সাংস্কৃতিক শিল্পখাত স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধিতে ইসলামাবাদে মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামির মৃত্যুদন্ড  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সজিবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ; অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ‎ ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গঠনে চীন-ব্রাজিলের যৌথ অঙ্গীকার পরিবেশ সুরক্ষায় যৌথ পদক্ষেপের আহ্বান চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রীর মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ শৃ’ঙ্খ’লা ভ’ঙ্গে’র অ’ভি’যো’গে ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে অ’ব্যা’হ’তি দুর্গম পাহাড়ে সিন্দুকছড়ি জোনের মানবিক উদ্যোগ: ৪১০ অসহায় রোগী পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ গুইমারার ৪ হিল ভিডিপি সদস্যের কৃতিত্বে মহাপরিচালকের সম্মাননা ব্যাজ ও সনদ অর্জন
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৮ অপরাহ্ন

ঈদগাঁওতে বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার জালের কদর তুঙ্গে, তিনগুন দাম 

প্রতিনিধির নাম / ৩১ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও: বর্ষা মৌসুমে ধানক্ষেতে,খালে-বিলে দেশীয় প্রজাতির মাছ ধরার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জাল। সুতার তৈরি এক ধরনের মাছ ধরার ফাঁদ হলো জাল। ঈদগাঁওতে সারা বছরের পাশাপাশি বর্ষা মৌসুমেই বিভিন্ন নামের জালের কেনাবেচা হয় বেশি। কদরও তুঙ্গে বটে।

গতকাল ঈদগাঁও বাজার পশ্চিম গলির জালের দোকানে গেলে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। বিভিন্ন দোকানপাটে সারি সারি সাজিয়ে রেখেছেন নানা ডিজাইনের জাল। খুচরা বিক্রি করে বিক্রেতারা।

জানা যায়, গ্রামাঞ্চলে ধানক্ষেত ও খালে নানান প্রজাতির মাছ শিকার করেন জেলেও কৃষকরা। একসময় বাঁশের তৈরি চাঁই দিয়ে মাছ ধরা হতো। এখন শক্ত, মজবুত জালের কদর তুঙ্গে রয়েছে। ঈদগাঁওর জালের দোকানে ছোট-বড়সহ নানা সাইজ,মানের জাল পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয়দের মেধা আর পরিশ্রমে উদ্ভাবিত জালের চাহিদা বাড়লেও দাম তিনগুন।

ঈদগাঁওতে কিছু কিছু পরিবার জাল তৈরি করে থাকে। এ কাজে পারদর্শী নারীরা,গৃহস্থ পরিবার লোকজন অবসরে বাড়িতে জাল তৈরি করেন।

এমনটি জানান এক দোকানদার। জাল তৈরীর কাজ বহু কষ্টের। এই কাজে টিকে থাকা কঠিন ব্যাপার। জাল তৈরী করতে দীর্ঘসময়ে প্রয়োজন হয়। তাদের নিপূন হাতে তৈরীকৃত জাল স্থানীয় হাটবাজারে বিক্রি করে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

পেঠান নামের এক ব্যাক্তি জানান, মাঝারি সাইজ জাল কিনতে গিয়ে দামের কারনে কেনা হয়নি।

আরেকজন জানান,শখ করে মাছ ধরতে ভাল মানের জাল কিনলাম। জাল নিয়ে গ্রুপ ভিত্তিক লোকজনের সাথে মাছ ধরতে খালে যাওয়া হয়। স্থানীয় মুরব্বিরা জানান, পূর্বে জালের দাম ছিল কম। বতমানে জালের দাম কিন্তু অনেক বেশি।

জাল বিক্রেতা মাসুদ বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে গ্রামের মানুষ ধানক্ষেতে এবং খালবিলে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে থাকেন। সারাবছর ধরে জাল বিক্রি হলেও বর্ষা মৌসুমে বেচাকেনা বেশি হয়। পুকুরে মাছ ধরার জন্য জাল ফাঁদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ১ হাজার ৫শ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫শত টাকা দামের জাল রয়েছে। আরো দামী কিনতে চাইলে অর্ডারী তৈরীর কথাও জানান।

তার দোকানে দৈনিক জাল বিক্রি হয় ২/১টি। বিভিন্ন সময়ে আরো বেশিও বিক্রি হয়ে থাকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর