জেলা প্রতিনিধি: সম্প্রতি কিছু প্রিন্ট পত্রিকা ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে আমাকে জড়িয়ে ‘বদলগাছীতে সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি এই ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, প্রকাশিত সংবাদে আব্দুল মাজেদ ও তার মেয়ে মোহনা আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগটি তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ অসত্য। মোহনা পার্শ্ববর্তী জয়পুরহাট জেলার একটি বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে। গত জানুয়ারি মাসে মোহনা ও তার অভিভাবক আমার কাছে এসে বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তির অনুরোধ জানান। আমি তাদের স্পষ্ট জানাই যে, অন্য জেলা থেকে এসে ভর্তি হতে হলে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ‘বোর্ড ট্রান্সফার’ (টিসি) করতে হবে। তখন মোহনার বাবা আব্দুল মাজেদ খরচের ব্যাপারে জানতে চাইলে আমি তাকে বলি— বোর্ডের ব্যাংক ড্রাফট এবং বোর্ডে যাতায়াতসহ প্রয়োজনীয় যাবতীয় অফিশিয়াল খরচ তাকে বহন করতে হবে। তিনি এতে সম্পূর্ণ সম্মত হন এবং খরচের টাকা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে ট্রান্সফারের নিয়ম অনুযায়ী উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়। এ লক্ষ্যে আমি মোহনাকে তার পূর্বের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর নিয়ে আসতে বলি। কিন্তু আমি আমার নিজ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে, তিনি কিছু আইনি জটিলতার কারণে তাতে স্বাক্ষর করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এমতাবস্থায়, ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব না হওয়ায় আমি তাৎক্ষণিকভাবে ওই অভিভাবককে তার দেওয়া সমদয় টাকা ফেরত প্রদান করি।
আমার স্পষ্ট আশঙ্কা, ওই অভিভাবক তার মেয়েকে ভর্তি করাতে ব্যর্থ হয়ে হিংসার বশবর্তী হয়েছেন এবং আমার ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্মানহানি করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় গণমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করেছেন। আমি আবারও এই সাজানো ও মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী:
আসাদুজ্জামান মামুন
সহকারী শিক্ষক, বদলগাছী সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল।