শিরোনাম :
চীনের সাংস্কৃতিক শিল্পখাত স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধিতে ইসলামাবাদে মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামির মৃত্যুদন্ড  চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাছরাঙা টেলিভিশনের ১৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সজিবের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ; অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ‎ ন্যায়ভিত্তিক বিশ্ব গঠনে চীন-ব্রাজিলের যৌথ অঙ্গীকার পরিবেশ সুরক্ষায় যৌথ পদক্ষেপের আহ্বান চীনা উপ-প্রধানমন্ত্রীর মোরেলগঞ্জে দুদকের দুর্নীতিবিরোধী প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ শৃ’ঙ্খ’লা ভ’ঙ্গে’র অ’ভি’যো’গে ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে অ’ব্যা’হ’তি দুর্গম পাহাড়ে সিন্দুকছড়ি জোনের মানবিক উদ্যোগ: ৪১০ অসহায় রোগী পেলেন বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ গুইমারার ৪ হিল ভিডিপি সদস্যের কৃতিত্বে মহাপরিচালকের সম্মাননা ব্যাজ ও সনদ অর্জন
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন

শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগের দাবি

প্রতিনিধির নাম / ২৮ বার পাঠ করা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা একটি জাতির মেরুদণ্ড। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান দায়িত্ব হলো শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষিত, নৈতিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। তবে বিভিন্ন এলাকায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদানের তুলনায় কোচিং বা প্রাইভেট শিক্ষার ওপর অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে কোচিংয়ে অংশগ্রহণ না করলে শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপে পড়ে এবং মূল্যায়ন নিয়ে উদ্বেগে থাকে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।

শিক্ষাবিদদের মতে, বিদ্যালয়ে নিয়মিত, মানসম্মত ও কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করা গেলে কোচিংনির্ভরতা অনেকাংশে কমে আসবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, নৈতিক শিক্ষা এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও জরুরি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ডাম্পিং জালকুড়ির বিল, শীতলক্ষ্যাপাড় এলাকার একটি বিদ্যালয়ের পেছনসহ আশপাশের কয়েকটি স্থানে প্রায়ই ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয়ের সময়ের বাইরে উদ্দেশ্যহীনভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিভাবকদের প্রত্যাশা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠুক, যেখানে বিদ্যালয়ই হবে শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র এবং শিক্ষার্থীদের স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত ও মানসম্মত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, “শেখার জন্য এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে যাও”—এই আদর্শ শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও প্রতিফলিত হবে। বিদ্যালয়ভিত্তিক শিক্ষার মান উন্নত হবে, শিক্ষার্থীরা প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করবে এবং একটি আধুনিক, সুশৃঙ্খল ও জবাবদিহিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে উঠবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর